Thursday, May 6, 2021

ধর্ম শিক্ষিতের কাছে আত্মসন্মানবোধ,পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধের, বিশ্বাসের জায়গা। অশিক্ষিতের কাছে অন্যকে আঘাতের অস্ত্র।

 ধর্ম শিক্ষিতের কাছে আত্মসন্মানবোধ,পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধের, বিশ্বাসের জায়গা। অশিক্ষিতের কাছে অন্যকে আঘাতের অস্ত্র।

আমাদের আসল সমস্যা হল শিক্ষায়, বেকারত্বে। যাকে বলে সব সমস্যার আড়ালে থাকা 'রুট কস'। আমাদের সেই জায়গাতে গিয়েই সমস্যার সমাধান করতে হবে।
কোন দল মুসলিম তোষণের পথে হেঁটে সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে, কোন দল কট্টর মুসলিম নেতাকে এনে তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে, কোন দল প্রকাশ্যে হিন্দুত্ববাদী।
সে আলোচনায় না গিয়ে শিক্ষার মান কিভাবে বাড়ানো যায়, কিভাবে সুশাসন আনা যায়, কিভাবে বেকারত্ব দূর করা যায়, কিভাবে কর্ম সংস্কৃতি ফেরানো যায়, সেটাই এ বারের বিচার্য। অন্য সব কিছু শুধু নেগেটিভ প্রচার চালিয়ে ভোট পাওয়ার অজুহাত।
কারো কারো মুখে শুনছি ‘হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা’। আচ্ছা, আপনারা কী আদৌ পড়াশোনা করেন বা সারা বিশ্বে কী হচ্ছে সে বিষয়ে কোন খবর রাখেন! কেন এই রাইট উইং বিশ্বের সব দেশে মাথাচাড়া দিচ্ছে, ,তা জানেন? সময় হলে সে বিষয়ে লিখব।
সিরিয়ার কথায় আসা যাক।সিরিয়ার এক এক জায়গার মুসলিম ধর্মের এক এক শাখা, সেটা নিয়ে গৃহযুদ্ধ দশ বছর ধরে চলছে। Alawite sect, Kurds, Islamic State, Druze tribes, Arab, এক শাখার মুসলিম সিরিয়ার মধ্যেই আরেক জায়গায় গেলে তার অবধারিত মৃত্যু হবে। এর পিছনে কিন্তু আসল কারণ ছিল ৪০ বছরের অপশাসন, অশিক্ষা, দুর্নীতি যার জন্য সেখানে মানুষে মানুষে বিশ্বাস হারিয়ে গিয়েছিল।
আজ সোমালিয়া, ইথিওপিয়া থেকে মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকার প্রত্যেক দেশের সবথেকে বড় সমস্যা এই র্যাডিকাল ইসলামিক টেররিজমের। অজস্র মুসলিম টেররিস্ট গ্রুপ অপারেট করছে, তারা কখনও মেয়েদের রেপ করছে, তো কখনও বাচ্চা ছেলেমেয়েদের স্কুল থেকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। অন্তত তারা জানে তাদের প্রকৃত শত্রু কে! সেটা হল শিক্ষা। আমরা নিশ্চয়ই ভারত বা বাংলাকে সে জায়গায় নিয়ে যেতে চাই না।
সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক এর মতো দেশেও গত বছরে বারবার রায়ট হয়েছে। গত সপ্তাহে ডেনমার্ক কিভাবে মুসলিম আর কালোদের বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে যুক্ত করা যায় তার জন্য নতুন পলিসি এনেছে। এরকম উদার দেশেও আগামী দিনে কোন জায়গায় ৩০ শতাংশের বেশী যাতে এই কমিউনিটি থেকে লোক না থাকে তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে সেখানে অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া না দেয়। ফ্রান্স, জার্মানি থেকে পৃথিবী জুড়েই এই একই চিত্র। র্যাডিকাল ইসলামিক টেররিজম। ও তার প্রতিক্রিয়া।
আমাদের ভাবতে হবে কিভাবে প্রকৃত শিক্ষার আলো ছড়িয়ে ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ ভোলানো যায়। এজন্যই ভালো লোকের এতে আসা উচিত। কিন্তু প্রায় সব দলেই তারাই সংখ্যালঘু। ভোট দিন তাদের, যাদের ভালো মানুষ হিসেবে আপনারা বিশ্বাস করেন, যাদের মধ্যে প্রকৃত শিক্ষা আছে।

0 comments:

Post a Comment